নৌকার ফেস্টুন বহনকারী আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ৫:৩৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২, ২০২১

ভেদরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী, বর্তমান মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আঃমান্নান হাওলাদারের নির্বাচনী সভায় গত ২৯ জানুয়ারী শুক্রবার দুপুরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় নৌকার ফেস্টুন বহনকারী মোহাম্মদ আলী গুরুতর আহত হয়। মোহাম্মদ আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে ২ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার বিকালে শরীয়তপুর চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেছে আহত মোহাম্মদ আলী ও তার পরিবার। সংবাদ সম্মেলন থেকে মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। দেশের যে স্থানে নৌকার পক্ষে সভা সমাবেশ হয় সেখানেই আমি ফেস্টুন ও প্রতিকী নৌকা নিয়ে উপস্থিত হই। গত ২৯ জানুয়ারী নৌকা মাথায় নিয়ে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী আবুল বাশার চোকদারের নির্বাচনী ক্লাবের সামনে দিয়ে ৩ নং ওয়ার্ডের দিকে রওয়ানা হই। তখন বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থীর একদল সন্ত্রাসী আমার উপর হামলা চালায়। তখন আমার মাথায় আঘাত করে নৌকা ভেঙে ফেলে এবং আমাকে এলোপাথারী মারধর করে। এতে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত প্রাপ্ত হই এবং আমার ডান পা ভেঙ্গে যায়।

তিনি আরও বলেন, আমাকে মেরে ফেললেও আমার এমন কষ্ট হতো না যত কষ্ট হয়েছে আমার নৌকা ভাঙ্গার কারণে। কারণ এই নৌকা বঙ্গবন্ধুর, এই নৌকা স্বাধীনতার ও আওয়ামীলীগের প্রতিক। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন বাংলায় এই ধরণের সন্ত্রাসীদের যেন দৃষ্টান্তমূলক বিচার হয় এই সংবাদ সম্মেলন থেকে আমি তাই দাবী জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলন থেকে নৌকার মেয়র প্রার্থী আঃ মান্নান হাওলাদার বলেন, এই ঘটনায় আমারও ১০ জন সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছে। আমি ৩২ জনকে আসামী করে মামলা করেছি। পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠায়। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি।

এই সময় জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সদস্য অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন তালুকদার, আহত মোহাম্মদ আলীর মা শাহিদা বেগম, স্ত্রী হেলেনা আক্তার পাখি, ছেলে সাইফুল ইসলাসহ আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও জেলায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থত ছিলেন।