শরীয়তপুর সদর কোর্টে বিগত ২৮ বছরের (১৯৯৩ হতে ২০২০ সাল) পর্যন্ত ৮১২ টি মামলার/এমআর এর আলামত এবং মাদক ধ্বংস করা হয়

প্রকাশিত: ৫:৪১ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২১

অদ্য ২৫ মার্চ মঙ্গলবার বিকাল ০৪:০০ টায় শরীয়তপুর সদর কোর্ট প্রাঙ্গনে শরীয়তপুর সদর কোর্টে বিগত ২৮ বছরের (১৯৯৩ হতে ২০২০ সাল) পর্যন্ত জিআর রেজিস্ট্রার, এমআর রেজিস্ট্রার, বিজ্ঞ আদালতের দৈনন্দিন কার্যতালিকা রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা করে ৮১২ টি মামলার/এমআর এর আলামত এবং মাদক ধ্বংস করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তানভীর হায়দার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর, শরীয়তপুর,  মোহাম্মদ মেসবাহ্ উদ্দিন খাঁন, বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, শরীয়তপুর,মোঃ শামসুল আলম, বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, শরীয়তপুর, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক, সদর কোর্ট, শরীয়তপুরসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিস্তারিত নিম্নেঃ-

শরীয়তপুর কোর্টে ২০২১ সালে বিভিন্ন মামলার নিস্পত্তিকৃত আলামতগুলি বিগত ২৮ বছরের ( ১৯৯৩ সাল হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত ) জিআর রেজিস্ট্রার, এমআর রেজিস্ট্রার, বিজ্ঞ আদালতের দৈনন্দিন কার্যতালিকা রেজিস্ট্রার পর্যালোচনা করে কোর্টের সকল অফিসার ফোর্সদের সহায়তায় অদ্য ২৫ মার্চ মঙ্গলবার,  ৮১২ টি মামলার / এমআর এর আলামত ও গাজা- ২৬ কেজি ৭১৫ গ্রাম, ইয়াবা ট্যাবলেট ১৪৪৬ পিস, দেশি মদ ০৭ বোতল, ফেন্সিডিল ২১ বোতল বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়ের উপস্থিতে ধ্বংস করা হয়েছে।
এছাড়াও কোর্ট মালখানায় রক্ষিত ১৯৩ টি এমআর এর ৫,৩৩,৯৯২.৫০/- টাকা বিগত ০৯/০৩/২১ ও ২৪/০৩/২১ তারিখে বিজ্ঞ আদালতের অনুমতিক্রমে চালান মোতাবেক সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ২০০৫ সাল থেকে বিভিন্ন মাদক মামলার ইয়াবার সাথে টাকাগুলো রক্ষিত থাকায় ৫৯,৩৭০/- টাকা ইয়াবার রং লেগে এবং টাকাগুলো গরমের কারণে টাকার সাথে টাকা সংযুক্ত হয়ে বিনিষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালতের অনুমতিক্রমে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে পরিবর্তন করে এনে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করা হয়েছে এবং গত ২৪/০২/২০২১ খ্রিঃ তারিখে ০১ টি এমআর এর ১,০০,০০০/- টাকা বাদীকে ০৩ / ০৪ বার ফোন করে এনে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে তার জিম্মায় প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়াও সরকারী কোষাগারে জমা থাকা ৫০০ মানের ১৯ টি সৌদি রিয়াল (১৯*৫০০)=৯,৫০০ টি। যাহার মূল্য ( ৯,৫০০*২২)=২,০৯,০০০/- টাকা। বিজ্ঞ আদালতের আদেশ গ্রহন পূর্বক সিআইডি কর্তৃক সঠিকতা যাচাই করে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে অদ্য ২৫/০৩/২০২১ খ্রিঃ তারিখ বাংলাদেশ ব্যাংক, মতিঝিল, ঢাকায় স্থায়ী জমা প্রদান করা হয়েছে।

এ সময় কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক বলেন আমি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম গত ১৯/০১/২০২০ খ্রিঃ তারিখ সদর কোর্ট শরীয়তপুরে যোগদানের পর পুলিশ সুপার শরীয়তপুর জনাব এস. এম. আশরাফুজ্জামান স্যারের নির্দেশনামতে কোর্টের সকল প্রকার কার্যক্রম পরিচালনা করছি। করোনার কারণে আদালত বন্ধ থাকা সত্ত্বেও এসপি স্যারের দিক নির্দেশনায় ২০২০ সালে আদালতে সাক্ষী হাজির করা হয়েছে ৩০৫৬ জন।

চলতি বছরে ২৫ শে মার্চ ২০২১ পর্যন্ত ১২৯৯ জন সাক্ষী বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হয়েছে। এ ভাবে আদালতে সাক্ষী হাজির করা হলে ২০২১ সালে ৫,০০০ হাজার সাক্ষী হাজির করে মামলা নিস্পত্তিতে গতিশীলতা আনায়নে সক্ষম হব বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।